Sunday, June 25, 2017
Friday, June 23, 2017
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
ঐতিহ্যবাহী যশোর জেলা ছাত্রলীগের আসন্ন ১০ জুলাই এর সম্মেলনকে সফল করার লক্ষে মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ছাত্রনেতা মোঃ মুরাদুজ্জামান মুরাদ এর সভাপতিত্বে মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা জনাব আব্দুল মজিদ। প্রধান অতিথীর বক্তব্যে তিনি বলেন- দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। সরকারের যুগোপযোগী নীতি গ্রহনে শিক্ষা, কৃষি, বিদ্যুৎসহ প্রতিটি সেক্টর দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। দেশ যখন এগিয়ে চলেছে ঠিক তখনি একটি গোষ্টি সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা মূখী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এই গোষ্টিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। বৃহস্পতিবার উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিলের প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও মনিরামপুর পৌর মেয়র বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জননেতা জনাব আলহাজ্ব অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা জনাব আমজাদ হোসেন লাভলু, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা প্রভাষক মোঃ ফারুক হোসেন,
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছাত্রনেতা মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপুল, মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের তরুণ জনপ্রিয় নেতা এডভোকেট বশির আহমেদ খান, বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা বাবু সন্দীপ কুমার ঘোষ, সরকারি এম এম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও যশোর জেলা ছাত্রলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ছাত্রনেতা মোঃ রওশন ইকবাল শাহী, শহর ছাত্রলীগের আহবায়ক ও যশোর জেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান রনি, এম এম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, যশোর জেলা ছাত্রলীগের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হাসান, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক ফরহাদ হোসেন, ফজলুর রহমান, জামাল হোসেন, সহ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
ঐতিহ্যবাহী যশোর জেলা ছাত্রলীগের আসন্ন ১০ জুলাই এর সম্মেলনকে সফল করার লক্ষে মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক ছাত্রনেতা মোঃ মুরাদুজ্জামান মুরাদ এর সভাপতিত্বে মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা জনাব আব্দুল মজিদ। প্রধান অতিথীর বক্তব্যে তিনি বলেন- দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কায় ভোট দিতে হবে। সরকারের যুগোপযোগী নীতি গ্রহনে শিক্ষা, কৃষি, বিদ্যুৎসহ প্রতিটি সেক্টর দূর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে। দেশ যখন এগিয়ে চলেছে ঠিক তখনি একটি গোষ্টি সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা মূখী ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। এই গোষ্টিকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। বৃহস্পতিবার উপজেলা ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনাসভা ও ইফতার মাহফিলের প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য ও মনিরামপুর পৌর মেয়র বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জননেতা জনাব আলহাজ্ব অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জননেতা জনাব আমজাদ হোসেন লাভলু, যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা প্রভাষক মোঃ ফারুক হোসেন,
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক ছাত্রনেতা মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপুল, মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামীলীগের তরুণ জনপ্রিয় নেতা এডভোকেট বশির আহমেদ খান, বক্তব্য রাখেন সাবেক ছাত্রনেতা বাবু সন্দীপ কুমার ঘোষ, সরকারি এম এম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও যশোর জেলা ছাত্রলীগের তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ছাত্রনেতা মোঃ রওশন ইকবাল শাহী, শহর ছাত্রলীগের আহবায়ক ও যশোর জেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেহেদী হাসান রনি, এম এম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ তৌহিদুর রহমান তৌহিদ, যশোর জেলা ছাত্রলীগের গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হাসান, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক ফরহাদ হোসেন, ফজলুর রহমান, জামাল হোসেন, সহ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
Thursday, May 25, 2017
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
মণিরামপুরে হৃদয় দাস (১৭) নামের এক কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার গভীর রাতে উপজেলার খেদাপাড়া দাসপাড়ায় ফুফুর বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে বলে স্বজনদের দাবি।
হৃদয় দাস একই উপজেলার হোগলাডাঙ্গা গ্রামের বকুল দাসের ছেলে। সে যশোর রেলজংশনের পাশে হরিজনপল্লীতে থাকতো।
এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে হৃদয়ের বাবা বাদী হয়ে মণিরামপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
খেদাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ইকবাল হোসেন লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।
এসআই ইকবাল জানান, বুধবার সকালে হৃদয় খেদাপাড়া দাসপাড়ায় তার ফুফু বাড়িতে বেড়াতে আসে। রাতে তার ফুফু বাড়ির লোকজন তাকে একা রেখে কাশিমনগর ইউনিয়নের ইত্যা দাসপাড়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যান। রাত দুইটার দিকে বাড়িতে এসে তারা ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ অবস্থায় পান। অনেক ডাকাডাকির পরও হৃদয় দরজা না খোলায় জানলা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে তারা হৃদয়ের লাশ ঝুলতে দেখেন। খবর পেয়ে দরজা খুলে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এসআই ইকবাল আরো জানান, হৃদয়ের সঙ্গে পঞ্চম শ্রেণিপড়–য়া একটি মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। এখন মেয়েটির পরিবার তার সঙ্গে বিয়ে দিতে চাইছে না। এই ক্ষোভে সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে তার স্বজনরা ধারণা করছেন।
মণিরামপুরে হৃদয় দাস (১৭) নামের এক কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার গভীর রাতে উপজেলার খেদাপাড়া দাসপাড়ায় ফুফুর বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে সে আত্মহত্যা করেছে বলে স্বজনদের দাবি।
হৃদয় দাস একই উপজেলার হোগলাডাঙ্গা গ্রামের বকুল দাসের ছেলে। সে যশোর রেলজংশনের পাশে হরিজনপল্লীতে থাকতো।
এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে হৃদয়ের বাবা বাদী হয়ে মণিরামপুর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
খেদাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ইকবাল হোসেন লাশ উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছেন।
এসআই ইকবাল জানান, বুধবার সকালে হৃদয় খেদাপাড়া দাসপাড়ায় তার ফুফু বাড়িতে বেড়াতে আসে। রাতে তার ফুফু বাড়ির লোকজন তাকে একা রেখে কাশিমনগর ইউনিয়নের ইত্যা দাসপাড়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যান। রাত দুইটার দিকে বাড়িতে এসে তারা ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ অবস্থায় পান। অনেক ডাকাডাকির পরও হৃদয় দরজা না খোলায় জানলা দিয়ে ভেতরে তাকিয়ে তারা হৃদয়ের লাশ ঝুলতে দেখেন। খবর পেয়ে দরজা খুলে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এসআই ইকবাল আরো জানান, হৃদয়ের সঙ্গে পঞ্চম শ্রেণিপড়–য়া একটি মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছিল। এখন মেয়েটির পরিবার তার সঙ্গে বিয়ে দিতে চাইছে না। এই ক্ষোভে সে আত্মহত্যা করতে পারে বলে তার স্বজনরা ধারণা করছেন।
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
যশোরে মনিরামপুর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এতে উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু কে আহবায়ক, শরিফুল ইসলাম রিপন ও মনিরুজ্জামান মিল্টন কে যুগ্ম-আহবায়ক করে কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
এতে স,ম আলাউদ্দীন, লিয়াকত আলী, জুলফিকার আলী জুলু, পলাশ কুশারি, আব্দুল কুদ্দুস, মঞ্জু, আজিম হোসেন, লিটন হোসেন, শিপন, গাজী আসাদ, ইয়াহিয়া রাজু, শফিকুল ইসলাম(রাজগঞ্জ), মহিদুল ইসলাম, ফিরোজ হোসেন, কালাম, জাকির মেম্বার, তালেব, আইয়ুব পাটোয়ারী কে সদস্য করে মোট ২১ জনকে এই কমিটিতে রাখা হয়।
আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি।
যশোরে মনিরামপুর উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এতে উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু কে আহবায়ক, শরিফুল ইসলাম রিপন ও মনিরুজ্জামান মিল্টন কে যুগ্ম-আহবায়ক করে কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
এতে স,ম আলাউদ্দীন, লিয়াকত আলী, জুলফিকার আলী জুলু, পলাশ কুশারি, আব্দুল কুদ্দুস, মঞ্জু, আজিম হোসেন, লিটন হোসেন, শিপন, গাজী আসাদ, ইয়াহিয়া রাজু, শফিকুল ইসলাম(রাজগঞ্জ), মহিদুল ইসলাম, ফিরোজ হোসেন, কালাম, জাকির মেম্বার, তালেব, আইয়ুব পাটোয়ারী কে সদস্য করে মোট ২১ জনকে এই কমিটিতে রাখা হয়।
আগামী ৯০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটি।
Friday, May 19, 2017
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
মণিরামপুরের গণমানুষের নেতা, বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান বলেছেন, ‘আমি নেতা হতে চাই না, আমি জনগণের সেবক হতে চাই। জনগণের সেবা করার জন্যই আমার জন্ম হয়েছে। আমি জনগণের সেবা করতে চাই। কাউকে কষ্ট দিতে চাই না। যারা আমার ক্ষতি করে, যারা অমানুষ তাদের মনুষত্ব শেখানোর জন্যই আল্লাহ আমাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।’ গতকাল শুক্রবার বিকেলে যশোরের মণিরামপুর পৌরশভা চত্বরে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু সুলতান বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে মণিরামপুরে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা আমি নেত্রীকে লিখিত আকারে জানিয়েছিলাম। নেত্রী আমাকে কথা দিয়েছেন, মণিরামপুরের মানুষ যতদিন আমাকে চায়, আমি যতদিন বেঁচে থাকি ততদিন তিনি আমাকে মনোনয়ন দেবেন। আমাকে সেই লক্ষে কাজ করে যেতে পরামর্শ দিয়ে হয়েছে। তিনি বলেন, নেত্রী আমাকে যশোর সদরে মনোনয়ন দিতে চেয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম, মণিরামপুরবাসীকে আমি কথা দিয়েছি, সখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকব।’ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক এই সাংসদ আরো বলেন, ‘মণিরামপুরের মানুষ শান্তিতে নেই, তারা কষ্টে আছে। তাদেরকে বিভিন্নভাবে সন্ত্রাস চাঁদাবাজরা কষ্ট দিচ্ছে। মণিরামপুরের মানুষ আমাকে সব কথা জানিয়েছে।’ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা জনগণকে কষ্ট দেওয়া এসব এমপি, চেয়ারম্যানদের বেআইনি হুকুম তামিল করবেন না। যদি করেন তাহলে একদিন জনগণের কাছে আপনাদের জবাব দিতে হবে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীদের পদচারনায় এসময় পৌরসভা চত্বর কানায় কানায় ভরে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিনব্যাপী মণিরামপুর পৌরভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে গণসংযোগ করেন সাবেক এই সাংসদ।
পৌর কমিশনার গৌর কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক মামুনুর রশিদ জুয়েলের পরিচালনায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিকাইল হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী, আদম আলী, মোস্তফা কামাল, জামাল উদ্দীন, আমেনা বেগম, ছাত্রনেতা নিশাত কামাল, এসএম রবিউল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া পৌর কাউন্সিলর বাবুল করিম, ইউপি সদস্য সঞ্জয় রাহা, ইসমাইল হোসেন, হারুন-অর-রশিদ, ইসহাক আলী, দেবাশীষ মাষ্টার, কোমল ম-ল প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পথসভা শেষে একটি মিছিল পৌর শহর প্রদক্ষিণ করে।
মণিরামপুরের গণমানুষের নেতা, বারবার নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান বলেছেন, ‘আমি নেতা হতে চাই না, আমি জনগণের সেবক হতে চাই। জনগণের সেবা করার জন্যই আমার জন্ম হয়েছে। আমি জনগণের সেবা করতে চাই। কাউকে কষ্ট দিতে চাই না। যারা আমার ক্ষতি করে, যারা অমানুষ তাদের মনুষত্ব শেখানোর জন্যই আল্লাহ আমাকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।’ গতকাল শুক্রবার বিকেলে যশোরের মণিরামপুর পৌরশভা চত্বরে আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু সুলতান বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারিতে মণিরামপুরে ঘটে যাওয়া সব ঘটনা আমি নেত্রীকে লিখিত আকারে জানিয়েছিলাম। নেত্রী আমাকে কথা দিয়েছেন, মণিরামপুরের মানুষ যতদিন আমাকে চায়, আমি যতদিন বেঁচে থাকি ততদিন তিনি আমাকে মনোনয়ন দেবেন। আমাকে সেই লক্ষে কাজ করে যেতে পরামর্শ দিয়ে হয়েছে। তিনি বলেন, নেত্রী আমাকে যশোর সদরে মনোনয়ন দিতে চেয়েছিলেন। আমি বলেছিলাম, মণিরামপুরবাসীকে আমি কথা দিয়েছি, সখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকব।’ পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক এই সাংসদ আরো বলেন, ‘মণিরামপুরের মানুষ শান্তিতে নেই, তারা কষ্টে আছে। তাদেরকে বিভিন্নভাবে সন্ত্রাস চাঁদাবাজরা কষ্ট দিচ্ছে। মণিরামপুরের মানুষ আমাকে সব কথা জানিয়েছে।’ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আপনারা জনগণকে কষ্ট দেওয়া এসব এমপি, চেয়ারম্যানদের বেআইনি হুকুম তামিল করবেন না। যদি করেন তাহলে একদিন জনগণের কাছে আপনাদের জবাব দিতে হবে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত নেতাকর্মীদের পদচারনায় এসময় পৌরসভা চত্বর কানায় কানায় ভরে ওঠে।
এর আগে শুক্রবার দিনব্যাপী মণিরামপুর পৌরভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা নিয়ে গণসংযোগ করেন সাবেক এই সাংসদ।
পৌর কমিশনার গৌর কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে ও প্রভাষক মামুনুর রশিদ জুয়েলের পরিচালনায় পথসভায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিকাইল হোসেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এরশাদ আলী, আদম আলী, মোস্তফা কামাল, জামাল উদ্দীন, আমেনা বেগম, ছাত্রনেতা নিশাত কামাল, এসএম রবিউল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া পৌর কাউন্সিলর বাবুল করিম, ইউপি সদস্য সঞ্জয় রাহা, ইসমাইল হোসেন, হারুন-অর-রশিদ, ইসহাক আলী, দেবাশীষ মাষ্টার, কোমল ম-ল প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। পথসভা শেষে একটি মিছিল পৌর শহর প্রদক্ষিণ করে।
Thursday, May 4, 2017
মনিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের শুন্য পদটি পুরনের জন্য দীর্ঘদিন পর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আর এ পদটি পেতে সংগঠনের তৃনমুল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ধর্না দেয়া শুরু করেছেন অনেক নেতা। অবশ্য এ ব্যাপারে আগামি ৮ মে ঢাকায় আ’লীগের সাধারন সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় হবার কথা রয়েছে। ফলে উপজেলা আ’লীগের সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে আট নেতা এখন কেন্দ্রীয় নেতাসহ বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। এমনটি জানা গেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাদের সাথে কথা বলে। অবশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সূত্রে জানাযায়, বিগত ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপিসহ জেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কাউন্সিল অধিবেশনে উপজেলা আওয়ামী লীগের গঠিত কমিটির শুধুমাত্র দু’টি পদে অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসানকে সভাপতি এবং গোলাম মোস্তফাকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে ঘোষনা করা হয়। পরের বছর ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফার। গোলাম মোস্তফার মৃত্যুর পর থেকে অধ্যাবধি পর্যন্ত সাধারন সম্পাদকের পদটি রয়েছে শুন্য। ফলে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে এখন রয়েছেন শুধুমাত্র সভাপতি। এক সদস্যের কমিটির নেতৃত্বে দলটির কার্যক্রম বর্তমান চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। তার ওপর দলের ভেতরেও চলছে বহুমুখি গ্রুপিং। ফলে আওয়ামী লীগের মধ্যে বর্তমান হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে। সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ পুনরায় রিকাউন্সিলের মাধ্যমে পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর লিখিত আবেদন করেন। আর এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়।
একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানাগেছে মনিরামপুরে এ সংগঠনটির প্রানচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রীয়ভাবে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। তারই ফলশ্রুতিতে আগামি ৮ মে ঢাকায় দলটির সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়ের কথা রয়েছে। ওই মতবিনিময় সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের শুন্য পদটি পুরনসহ পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের একটি নির্দেশনা দেয়া হতে পারে বলে একাধিক নেতা জানিয়েছেন। ফলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের পদটি পাবার জন্য প্রায় ডজন খানেক নেতা তৃনমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের সরনাপন্ন হচ্ছেন বলে জানাগেছে। দলটির নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে জানাগেছে ইতিমধ্যে সাধারন সম্পাদক হতে মাঠে ময়দানে চষে বেড়াচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু। অবশ্য তার বর্নাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রয়েছে সেই ছাত্র রাজনীতি থেকে। একই প্রত্যাশায় প্রয়াত সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফার ছোট ছেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা প্রভাষক ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে নেতাকর্মীদের সাথে মিশে রয়েছেন। পিতার পদটি পাবার জন্যে। অবশ্য গোলাম মোস্তফার মৃত্যুর পর ফারুকের প্রতি দলের নেতাকর্মীদের বেশ উদারতা লক্ষ্যণীয়। অন্যদিকে আর এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিকাইল হোসেনও জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন সাধারন সম্পাদক হবার জন্য। তারও বর্নাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রয়েছে। এ ছাড়া সাধারন সম্পাদক হতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন পর পর দুই বার নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি নাজমা খানম, উপজেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক গাউসুল মোস্তাক, আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাশেম আলী, ভোজগাতী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক। এ ব্যাপারে উপজেলা আ’লীগের বর্তমান সভাপতি পৌর মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান বলেন, আগামি ৮ মে ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় হওয়ার কথা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে ওই মতবিনিময় থেকে সব সমস্যা সমাধান হবে।
মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের শুন্য পদটি পুরনের জন্য দীর্ঘদিন পর তোড়জোড় শুরু হয়েছে। আর এ পদটি পেতে সংগঠনের তৃনমুল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ধর্না দেয়া শুরু করেছেন অনেক নেতা। অবশ্য এ ব্যাপারে আগামি ৮ মে ঢাকায় আ’লীগের সাধারন সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় হবার কথা রয়েছে। ফলে উপজেলা আ’লীগের সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে আট নেতা এখন কেন্দ্রীয় নেতাসহ বিভিন্ন স্থানে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। এমনটি জানা গেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাদের সাথে কথা বলে। অবশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সূত্রে জানাযায়, বিগত ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কমিটির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক এমপিসহ জেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কাউন্সিল অধিবেশনে উপজেলা আওয়ামী লীগের গঠিত কমিটির শুধুমাত্র দু’টি পদে অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসানকে সভাপতি এবং গোলাম মোস্তফাকে সাধারন সম্পাদক হিসেবে ঘোষনা করা হয়। পরের বছর ২০১৫ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যু হয় সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফার। গোলাম মোস্তফার মৃত্যুর পর থেকে অধ্যাবধি পর্যন্ত সাধারন সম্পাদকের পদটি রয়েছে শুন্য। ফলে উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতে এখন রয়েছেন শুধুমাত্র সভাপতি। এক সদস্যের কমিটির নেতৃত্বে দলটির কার্যক্রম বর্তমান চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। তার ওপর দলের ভেতরেও চলছে বহুমুখি গ্রুপিং। ফলে আওয়ামী লীগের মধ্যে বর্তমান হ-য-ব-র-ল অবস্থা বিরাজ করছে। সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ পুনরায় রিকাউন্সিলের মাধ্যমে পুর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে দলের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর লিখিত আবেদন করেন। আর এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমেও একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়।
একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানাগেছে মনিরামপুরে এ সংগঠনটির প্রানচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রীয়ভাবে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। তারই ফলশ্রুতিতে আগামি ৮ মে ঢাকায় দলটির সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়ের কথা রয়েছে। ওই মতবিনিময় সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের শুন্য পদটি পুরনসহ পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনের একটি নির্দেশনা দেয়া হতে পারে বলে একাধিক নেতা জানিয়েছেন। ফলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের পদটি পাবার জন্য প্রায় ডজন খানেক নেতা তৃনমূল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় নেতাদের সরনাপন্ন হচ্ছেন বলে জানাগেছে। দলটির নেতাকর্মীদের সাথে আলাপ করে জানাগেছে ইতিমধ্যে সাধারন সম্পাদক হতে মাঠে ময়দানে চষে বেড়াচ্ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন লাভলু। অবশ্য তার বর্নাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রয়েছে সেই ছাত্র রাজনীতি থেকে। একই প্রত্যাশায় প্রয়াত সাধারন সম্পাদক গোলাম মোস্তফার ছোট ছেলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা প্রভাষক ফারুক হোসেন দীর্ঘদিন ধরে নেতাকর্মীদের সাথে মিশে রয়েছেন। পিতার পদটি পাবার জন্যে। অবশ্য গোলাম মোস্তফার মৃত্যুর পর ফারুকের প্রতি দলের নেতাকর্মীদের বেশ উদারতা লক্ষ্যণীয়। অন্যদিকে আর এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিকাইল হোসেনও জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন সাধারন সম্পাদক হবার জন্য। তারও বর্নাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রয়েছে। এ ছাড়া সাধারন সম্পাদক হতে দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন পর পর দুই বার নির্বাচিত উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি নাজমা খানম, উপজেলা আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক গাউসুল মোস্তাক, আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাশেম আলী, ভোজগাতী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক। এ ব্যাপারে উপজেলা আ’লীগের বর্তমান সভাপতি পৌর মেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান বলেন, আগামি ৮ মে ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় হওয়ার কথা রয়েছে। আশা করা হচ্ছে ওই মতবিনিময় থেকে সব সমস্যা সমাধান হবে।
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিতর্ক সংগঠন(২০১৬), দক্ষিণবঙ্গের একমাত্র বিতর্ক সংগঠন মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনেরর (M M D F) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মনিরামপুরের কৃতি সন্তান মোঃ হাদিউজ্জামান ফয়সাল। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসানুল বারী, (অবঃ) প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এর একমাত্র পুত্র এবং সরকারি এম এম কলেজের গনিত বিভাগের মেধাবি ছাত্র।
তিনি মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও খেদাপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক হিসেবে দ্বায়িত্বরত আছেন।
দীর্ঘ দিন ধরে তিনি বিতর্কের সঙ্গে জড়িত আছেন। মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনে ২০০৯ সাল থেকে বিতর্ক নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গৌরবের সাথে কাজ করে চলেছেন। ইতিমধ্যে প্রায় ৭২ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৫০০ বিতর্ক প্রেমিক ছাত্র -ছাত্রীদের মধ্যে বিতর্ক শিল্পের বীজ বপন করে দিয়েছেন। শুধু যশোর নয় সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, খুলনা সহ বিভিন্ন জেলায় যুক্তিবাদী একজন তার্কিক যোদ্ধা হিসাবে শিক্ষার্থীদের পরিনত করার জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে মাননীয় মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এর হাত থেকে তিনি শ্রেষ্ঠ বিতর্ক সংগঠনের স্বীকৃতিস্বরুপ পুরষ্কার লাভ করেন। ইতিমধ্যে এই সংগঠনের জাতীয় পর্যায়ের বিতার্কিক প্রতিযোগীতায় অনেক বার দেশ সেরা, বিভাগ চ্যাম্পিয়ন, একক শ্রেষ্ঠ বক্তা, বিভিন্ন ভার্সিটি চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ, বিটিভি সেমিফাইনালিস্ট সহ বহু প্রতিযোগীতায় সাফল্যেরর ধারা অব্যহত রেখে চলেছেন। তার স্বপ দক্ষিন বঙ্গের একমাত্র বিতর্ক সংগঠন মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশন বির্তকের জন্য একদিন বাংলাদেশে বিখ্যাত হবে।
এছাড়াও ছাত্রলীগের এই নেতা মাইকেল মধুসুদন ডিবেট ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সজিব কুশারী, মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ মুরাদুজ্জামান মুরাদ, যুগ্ম-আহবায়ক ফজলুর রহমান, রোহিতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ সোহাগ হোসেন সহ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিতর্ক সংগঠন(২০১৬), দক্ষিণবঙ্গের একমাত্র বিতর্ক সংগঠন মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনেরর (M M D F) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মনিরামপুরের কৃতি সন্তান মোঃ হাদিউজ্জামান ফয়সাল। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ হাসানুল বারী, (অবঃ) প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এর একমাত্র পুত্র এবং সরকারি এম এম কলেজের গনিত বিভাগের মেধাবি ছাত্র।
তিনি মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও খেদাপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক হিসেবে দ্বায়িত্বরত আছেন।
দীর্ঘ দিন ধরে তিনি বিতর্কের সঙ্গে জড়িত আছেন। মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশনে ২০০৯ সাল থেকে বিতর্ক নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গৌরবের সাথে কাজ করে চলেছেন। ইতিমধ্যে প্রায় ৭২ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৬৫০০ বিতর্ক প্রেমিক ছাত্র -ছাত্রীদের মধ্যে বিতর্ক শিল্পের বীজ বপন করে দিয়েছেন। শুধু যশোর নয় সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ, খুলনা সহ বিভিন্ন জেলায় যুক্তিবাদী একজন তার্কিক যোদ্ধা হিসাবে শিক্ষার্থীদের পরিনত করার জন্য নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে মাননীয় মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি এর হাত থেকে তিনি শ্রেষ্ঠ বিতর্ক সংগঠনের স্বীকৃতিস্বরুপ পুরষ্কার লাভ করেন। ইতিমধ্যে এই সংগঠনের জাতীয় পর্যায়ের বিতার্কিক প্রতিযোগীতায় অনেক বার দেশ সেরা, বিভাগ চ্যাম্পিয়ন, একক শ্রেষ্ঠ বক্তা, বিভিন্ন ভার্সিটি চ্যাম্পিয়ন, রানার্সআপ, বিটিভি সেমিফাইনালিস্ট সহ বহু প্রতিযোগীতায় সাফল্যেরর ধারা অব্যহত রেখে চলেছেন। তার স্বপ দক্ষিন বঙ্গের একমাত্র বিতর্ক সংগঠন মাইকেল মধুসূদন ডিবেট ফেডারেশন বির্তকের জন্য একদিন বাংলাদেশে বিখ্যাত হবে।
এছাড়াও ছাত্রলীগের এই নেতা মাইকেল মধুসুদন ডিবেট ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সজিব কুশারী, মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ মুরাদুজ্জামান মুরাদ, যুগ্ম-আহবায়ক ফজলুর রহমান, রোহিতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ সোহাগ হোসেন সহ উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
Sunday, April 2, 2017
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষা আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী এ পরীক্ষা ১৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুন শেষ হবে। আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে ২৪ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় পরীক্ষাসমূহ প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে শুরু হবে এবং পবিত্র রমজান মাসে ২৭ মে থেকে ১৩ জুন তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পরীক্ষাসমূহ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষা আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে শুরু হবে। পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী এ পরীক্ষা ১৭ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ১৩ জুন শেষ হবে। আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে ২৪ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় পরীক্ষাসমূহ প্রতিদিন বেলা ২টা থেকে শুরু হবে এবং পবিত্র রমজান মাসে ২৭ মে থেকে ১৩ জুন তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পরীক্ষাসমূহ প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে।
Tuesday, March 28, 2017
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
মনিরামপুরে রোহিতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে আজ বিকাল ৫টায় মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও রোহিতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ সোহাগ হোসেন এর সভাপতিত্বে ইউনিয়ন ছাত্রলীগনেতা শফিকুল ইসলাম এর মায়ের মৃত্যুতে আলোচনা সভা ও দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভা ও দোআ মাহফিলে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোহিতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী বিশ্বাস, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম, বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধীর মন্ডল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী ইনদাদুল হক, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শেখ মোহর আলী, ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম,উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম-সাঃ সম্পাদক মনিরুজ্জামান লালটু, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রমজান আলী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য আশরাফুল আলম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক আবু সাঈদ পলাশ, নাজমুল হাসান নয়ন, ছাত্রলীগনেতা মেহেদী হাসান, শফিকুল ইসলাম,জাহিদ হাসান জনি, ইসরাফিল হোসেন সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেত্রীবৃন্দ।
মনিরামপুরে রোহিতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে আজ বিকাল ৫টায় মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও রোহিতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ সোহাগ হোসেন এর সভাপতিত্বে ইউনিয়ন ছাত্রলীগনেতা শফিকুল ইসলাম এর মায়ের মৃত্যুতে আলোচনা সভা ও দোআ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত আলোচনা সভা ও দোআ মাহফিলে প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোহিতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী বিশ্বাস, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম, বিশেষ অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি অধীর মন্ডল, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কাজী ইনদাদুল হক, ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক শেখ মোহর আলী, ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম,উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম-সাঃ সম্পাদক মনিরুজ্জামান লালটু, ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি রমজান আলী এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য আশরাফুল আলম, ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক আবু সাঈদ পলাশ, নাজমুল হাসান নয়ন, ছাত্রলীগনেতা মেহেদী হাসান, শফিকুল ইসলাম,জাহিদ হাসান জনি, ইসরাফিল হোসেন সহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড ছাত্রলীগের নেত্রীবৃন্দ।
Wednesday, March 15, 2017
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।
স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি বরাবর যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আগামীকাল ১৬ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভাপতি দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি’র ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে (বাড়ি-৫১/এ, সড়ক-৩/এ, ধানমন্ডি আ/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা) আবেদপত্র জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
তারিখ: ১৫ মার্চ ২০১৭
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি বরাবর যশোর জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের আগামীকাল ১৬ মার্চ ২০১৭ বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাননীয় সভাপতি দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা এমপি’র ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে (বাড়ি-৫১/এ, সড়ক-৩/এ, ধানমন্ডি আ/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা) আবেদপত্র জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
তারিখ: ১৫ মার্চ ২০১৭
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
Sunday, February 12, 2017
মাসুমা আক্তার পলি
আমার সাথে কিছুদিন আগে এক অফিসার এর সাথে পরিচয় হলে, যখন আমি বললাম আমি একজন পলিটিশিয়ান...ছাত্রনেত্রী। তখন সে এমনভাবে নাক-মুখ-চোখ কুচকাল যেন আমি একজন ভয়ংকর ক্রিমিনাল, চরিত্রহীন, লম্পট, খারাপ লোক। সে যেহেতু ভদ্রলোক, তাই মুখের উপর ভদ্রতা বশত কোন খারাপ মন্তব্য করল না, মনে মনে আমার চৌদ্দ গুষ্ঠি ধুয়ে দিল।
মুচকি হেসে শুধু বলল ভালই তো আছেন, আয় ইনকাম তো ভালই কি বলেন?
ইনকাম কিসের বলতেই ভদ্রলোক বললেন অমন সবাই বলে আবার সুযোগ পেলে কে না সুবিধা নেয়? ব্যাপার না। তারপর শুরু করল ওমুক নেতা এত খারাপ, মন্ত্রী-এমপিরা এত খারাপ।
তখন আমি তাকে বললাম আপনার কাছে ডাক্তাররা কেমন?
সাক্ষাৎ কষাই মিয়া, একেবারে ডাকাত।
পুলিশদের কেমন লাগে?
ফেরেপবাজ, চামার। পুলিশে ছুলে তার আর রক্ষা নাই।
আমলা?
ঘুষখোর, চোগলখোর, দূর্নীতিবাজ।
সাংবাদিক?
মিথ্যাচারী, লম্পট, বদমাশ, হলুদ সাংবাদিকে দেশটা ভরেে গেছে।
শিক্ষক?
চাঁদাবাজ, কোচিংবাজ। সবাই খারাপ বুঝলেন, সমাজটা এক্কেবারে পচে গেছে।
আমি বললাম ও আচ্ছা।
তো ভদ্রলোক কিছুদিন পরেই ফোন করে বললেন আপা আপনার কলেজে আমার ভাগনিকে ভর্তি করে দিতে পারবেন কি? টাকা পয়সা কোন ব্যাপার না।
আমি বললাম জননেত্রী শেখ হাসিনার এই দেশে ভর্তি বাণিজ্য চলে না। এই প্রথম বলল তা অবশ্য ঠিক বলছেন।
আসলে আমাদের চারপাশে এমন ভণ্ড লোকই বেশি।
আমাদের মন-মানসিকতা কেমন, সেটা বুঝা যায় আমরা নিয়মিত কোন বিষয় গুলো চর্চা করি সেটার উপর। গীবত করে আমরা বড়ই আনন্দিত হই। হয়তো নির্দিষ্ট কারও আচরণ আপনার কাছে খারাপ লেগেছে, তাকে পছন্দ নাই করতে পারেন। এটা হতেই পারে। জগতের সবাই নিশ্চয় সবাইকে পছন্দ করবে না। তা বলে ঢালাও ভাবে সবার চরিত্র হননে আপনি উঠে পড়ে লাগবেন। কোনো সভ্য সমাজে এই ধরনের প্র্যাকটিস গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
আমরা আসলে কারো ভালো দেখতে পারি না। কেউ একটু বড় হয়ে গেলে, একটু ভালো কিছু করলে আমাদের গায়ে লাগে। কিভাবে তাকে টেনে নিচে নামানো যায়, তাকে ছোট করা যায়, এই চিন্তায় আমরা নিজেদের ঘুম`ই বাদ দেই! অথচ চেষ্টা করলে যে নিজেও বড় হওয়া যায় সেই চিন্তা আমাদের মাথায় আসে না। জগতের এমন কি অতি খারাপ কিছু থেকেও যে ভালো কিছু নেয়া সম্ভব, সেটা আমরা নিতে চেষ্টা করি না।
এ থেকেই বুঝা যায় জাতিগত ভাবে আমরা এখনো সভ্য হতে পারিনি। সভ্যতা এখনো আমাদের থেকে হাজার মাইল দূরে! আমরা কেবল খারাপ`টাই নিতে এবং ভাবতে শিখেছি!
যারা অন্যের ভাল কোন ভাবেই দেখতে পারে না। অন্যের ভাল কিছু করা, খাওয়া, পরা যা দেখে তাতেই এদের শরীর জ্বালা করে, হিংসায় চোখ ভরে উঠে। তাই তারা দু`একজন খারাপ মানুষের সথে তুলনা করে সকলকে খারাপ প্রমাণ করতে চায়, সমালোচনায় চারপাশ মুখর করে তোলে।
"""আমরা যারা রাজনীতিবিদ তারা যেন এ সমস্ত ভণ্ডদের কথায় প্রভাবিত না হই। এরা রাজনীতিবিদদের চরিত্র হননে, মনোবল হননে সদা লিপ্ত। এদের কারণে মেধাবীরা রাজনীতিতে আসতে চায় না। মেধাবীদের রাজনীতিতে আসতেই হবে। কারন মেধাবীরা রাজনীতিতে না এলে সমাজের অযোগ্য, খারাপ, মেধাহীন লোকেরা রাজনীতিতে জায়গা করে নিবে। নষ্ট করবে রাজনীতির পরিবেশ আর দেশের পুরো সিস্টেম।""""
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুমা আক্তার পলি`র ফেসবুক থেকে নেওয়া
আমার সাথে কিছুদিন আগে এক অফিসার এর সাথে পরিচয় হলে, যখন আমি বললাম আমি একজন পলিটিশিয়ান...ছাত্রনেত্রী। তখন সে এমনভাবে নাক-মুখ-চোখ কুচকাল যেন আমি একজন ভয়ংকর ক্রিমিনাল, চরিত্রহীন, লম্পট, খারাপ লোক। সে যেহেতু ভদ্রলোক, তাই মুখের উপর ভদ্রতা বশত কোন খারাপ মন্তব্য করল না, মনে মনে আমার চৌদ্দ গুষ্ঠি ধুয়ে দিল।
মুচকি হেসে শুধু বলল ভালই তো আছেন, আয় ইনকাম তো ভালই কি বলেন?
ইনকাম কিসের বলতেই ভদ্রলোক বললেন অমন সবাই বলে আবার সুযোগ পেলে কে না সুবিধা নেয়? ব্যাপার না। তারপর শুরু করল ওমুক নেতা এত খারাপ, মন্ত্রী-এমপিরা এত খারাপ।
তখন আমি তাকে বললাম আপনার কাছে ডাক্তাররা কেমন?
সাক্ষাৎ কষাই মিয়া, একেবারে ডাকাত।
পুলিশদের কেমন লাগে?
ফেরেপবাজ, চামার। পুলিশে ছুলে তার আর রক্ষা নাই।
আমলা?
ঘুষখোর, চোগলখোর, দূর্নীতিবাজ।
সাংবাদিক?
মিথ্যাচারী, লম্পট, বদমাশ, হলুদ সাংবাদিকে দেশটা ভরেে গেছে।
শিক্ষক?
চাঁদাবাজ, কোচিংবাজ। সবাই খারাপ বুঝলেন, সমাজটা এক্কেবারে পচে গেছে।
আমি বললাম ও আচ্ছা।
তো ভদ্রলোক কিছুদিন পরেই ফোন করে বললেন আপা আপনার কলেজে আমার ভাগনিকে ভর্তি করে দিতে পারবেন কি? টাকা পয়সা কোন ব্যাপার না।
আমি বললাম জননেত্রী শেখ হাসিনার এই দেশে ভর্তি বাণিজ্য চলে না। এই প্রথম বলল তা অবশ্য ঠিক বলছেন।
আসলে আমাদের চারপাশে এমন ভণ্ড লোকই বেশি।
আমাদের মন-মানসিকতা কেমন, সেটা বুঝা যায় আমরা নিয়মিত কোন বিষয় গুলো চর্চা করি সেটার উপর। গীবত করে আমরা বড়ই আনন্দিত হই। হয়তো নির্দিষ্ট কারও আচরণ আপনার কাছে খারাপ লেগেছে, তাকে পছন্দ নাই করতে পারেন। এটা হতেই পারে। জগতের সবাই নিশ্চয় সবাইকে পছন্দ করবে না। তা বলে ঢালাও ভাবে সবার চরিত্র হননে আপনি উঠে পড়ে লাগবেন। কোনো সভ্য সমাজে এই ধরনের প্র্যাকটিস গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
আমরা আসলে কারো ভালো দেখতে পারি না। কেউ একটু বড় হয়ে গেলে, একটু ভালো কিছু করলে আমাদের গায়ে লাগে। কিভাবে তাকে টেনে নিচে নামানো যায়, তাকে ছোট করা যায়, এই চিন্তায় আমরা নিজেদের ঘুম`ই বাদ দেই! অথচ চেষ্টা করলে যে নিজেও বড় হওয়া যায় সেই চিন্তা আমাদের মাথায় আসে না। জগতের এমন কি অতি খারাপ কিছু থেকেও যে ভালো কিছু নেয়া সম্ভব, সেটা আমরা নিতে চেষ্টা করি না।
এ থেকেই বুঝা যায় জাতিগত ভাবে আমরা এখনো সভ্য হতে পারিনি। সভ্যতা এখনো আমাদের থেকে হাজার মাইল দূরে! আমরা কেবল খারাপ`টাই নিতে এবং ভাবতে শিখেছি!
যারা অন্যের ভাল কোন ভাবেই দেখতে পারে না। অন্যের ভাল কিছু করা, খাওয়া, পরা যা দেখে তাতেই এদের শরীর জ্বালা করে, হিংসায় চোখ ভরে উঠে। তাই তারা দু`একজন খারাপ মানুষের সথে তুলনা করে সকলকে খারাপ প্রমাণ করতে চায়, সমালোচনায় চারপাশ মুখর করে তোলে।
"""আমরা যারা রাজনীতিবিদ তারা যেন এ সমস্ত ভণ্ডদের কথায় প্রভাবিত না হই। এরা রাজনীতিবিদদের চরিত্র হননে, মনোবল হননে সদা লিপ্ত। এদের কারণে মেধাবীরা রাজনীতিতে আসতে চায় না। মেধাবীদের রাজনীতিতে আসতেই হবে। কারন মেধাবীরা রাজনীতিতে না এলে সমাজের অযোগ্য, খারাপ, মেধাহীন লোকেরা রাজনীতিতে জায়গা করে নিবে। নষ্ট করবে রাজনীতির পরিবেশ আর দেশের পুরো সিস্টেম।""""
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুমা আক্তার পলি`র ফেসবুক থেকে নেওয়া






