Monday, December 12, 2016

যেভাবে জঙ্গি হয়ে ওঠে মণিরামপুরের নাজিম ওরফে ‍নকশা নাজিম

মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।

চট্টগ্রামে আটক পাঁচ জঙ্গির মধ্যে যশোরের মণিরামপুরের নাজিম উদ্দীন আল আজাদ ওরফে নকশা নাজিম ছোট বেলা থেকেই ছিলো অনেকটা ডানপীটে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া নাজিম খুব অল্প সময়ের মধ্যে ধর্মীয় অনুশানের প্রতি দূর্বল হয়ে পড়ে। নাজিমের পিতা উপজেলার ভরতপুর গ্রামের হাসান গাজী ছিলেন স্থানীয় জনতা ব্যাংকের নাইটগার্ড। তার ১ মেয়ে আর ২ ছেলের মধ্যে নাজিম মেঝ। ভাই বোনের মধ্যে সবার বড় বোন বিবাহিত। ভাইদের মধ্যে নাজিম বড়। অপর ছোট ভাই আজিম ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালায়। ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িত বাজারে উগ্রতার সাথে চলাফেরা করা ছেলে নাজিম হঠাৎ করেই ধর্মীয় অনুশাসনে বন্দি হয়ে পড়ে। বন্ধু হাসান সমীর (বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী), মেঝবাহ উদ্দীন চন্টু ওরফে চন্টু মেম্বার (ক্রসফায়ারে নিহত), চঞ্চল (সৌদি থেকে ফিরে এসে মানষিক ভারসাম্যহীন) ও ঢাকায় যার বাসার উদ্দেশ্যে বাড়ি হতে বের হয়েছিলো সেই মাহফুজ আনাম অনেকটা খেয়ালীপনায় মধ্যদিয়ে স্থানীয় এক অবসরপ্রাপ্ত সরকারী বিদ্যালয়ের শিক্ষকের সহচার্যে ১৯৯২ সালে এইচএসসি পরীক্ষার পর অবকাশ সময়ে বন্ধুদের সাথে চলে যায় তাবলীগ জামায়াতে। সেখান থেকে ফিরে এসে কিছুদিন লম্বা দাড়ি, টুপি-পাঞ্জাবী পরিধান করে তারা। কিছুদিন পার না হতেই আমেরিকা প্রবাসী হাসান সমীর ও চঞ্চল দাড়ি-টুপি বাদ দিয়ে পূর্বের পরিবেশে ফিরে যায়। কিন্তু ফিরতে পারেনি নাজিম, চন্টু ও মাহফুজ। এভাবেই চলতে থাকে কয়েক বছর। সূত্র জানায়, ১৯৯৬ সালে আফগানিস্থানে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে বাংলাদেশ হতে যে ক’জন জেহাদী আল-কায়দার তালেবান যোদ্ধা হিসেবে প্রশিক্ষণ নিতে আফগানিস্থান গিয়েছিলো নাজিম তাদের মধ্যে অন্যতম। সূত্র আরো জানায়, তিন চিল্লার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়ে কয়েকমাস নিরুদ্দেশ হয় নাজিম। এর পর মণিরামপুর ফিরে এসে হরকাতুল জিহাদের (হুজি) মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে বেশ আলোচনায় আসে সে। এরপর পৌরশহরে আল-এখওয়ান লাইব্রেরী নামে একটি বুকস্টল দিয়ে শুরু করে ব্যবসা। এরইমধ্যে ১৯৯৭ সালে জালঝাড়া গ্রামের নাজমা খাতুন নামের এক মেয়েকে বিয়ে করে। বিয়ের কিছুদিন পর বইয়ের ব্যবসা বাদ দিয়ে শুরু করে পাঞ্চাবী তৈরীর কারখানা। নাম দেয় নকশা পাঞ্জাবী হাউজ। মূলত: তখন থেকেই সে মণিরামপুরে “নকশা নাজিম” নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। বছর দু’য়েক পাঞ্জাবী তৈরীর কাজ করে সে ব্যবসাটিও বাদ দেয়। এর পরপরই শুরু করে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, ডিজাইন ও কম্পোজের ব্যবসা। এব্যবসা প্রতিষ্ঠানটির নামও দেয় নকশা কম্পিউটার। ইতিমধ্যে নাজিম-নাজমা দম্পতির ঘরে আসে তুবা ও তৈয়েবা নামের দুই কণ্যা সন্তান। অতি অল্প সময়ে উপজেলার গন্ডি ছাড়িয়ে ব্যপক পরিচিত হয়ে ওঠে নকশা কম্পিউটার। মূলত: নকশা কম্পিউটারে বসেই ইন্টানেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে নাজিমের। ২০১০ সালের শেষের দিকে জমজমাট ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান নকশা কম্পিউটার উপজেলা যুবদল সভাপতি আসাদুজ্জামান মিন্টুর নিকট বিক্রি করে দিয়ে ঢাকায় চলে যায় সে। হঠাৎ একদিন দাড়ি কেটে ক্লিনসেভ করে, টুপি ছেড়ে জিন্স প্যান্ট আর গেঞ্চি পরে মণিরামপুরে আসে নাজিম। জানায়, ঢাকায় একটি কোম্পানীতে চাকরি নিয়েছে। কিছুদিন পর চলে যায় মালেয়শিয়া। প্রায় বছর তিনেক পর আবারো ফিরে আসে দেশে। দেশে এসে বড় মেয়ে তুবাকে বিয়ে দেয় খানপুরের এক ছেলের সাথে। এবার ঢাকার একটি হজ্জ্ব এজেন্সিতে চাকরি নেয় সে। চাকরি করাকালীন সময়ে ঢাকায় বসবাসরত বন্ধু মাহফুজের বাসায় অবস্থান করতো। সেখানে মাত্র মাস চারেক চাকরি করে সেটা ছেড়ে দিয়ে বন্ধু মাহফুজের বাসায় অবস্থান করতে থাকে। সেখানে থাকা অবস্থায় নিখোঁজ হয় নাজিম। নিঁখোজের পর তার পরিবারের পক্ষ থেকে একাধিক সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করা হয়, গত ২৫ মে সকালে ব্যবসায়ীক কাজে গাউসুল আযম নামের এক বন্ধুর ফোন পেয়ে বন্ধু মাহফুজের বাসা থেকে বের হয়ে নিঁখোজ হয় নাজিম। এব্যাপারে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি ডায়েরী করে তার স্ত্রী। গত মাস দু’য়েক আগে যশোর জেলা পুলিশ যশোরের সেরা পাঁচ জঙ্গি তালিকা প্রকাশ করে। তাতে নাজিমের ছবি প্রকাশ করা হয়। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামে র‌্যাবের অভিযানে আটক পাঁচ জঙ্গির মধ্যে নাজিমকে দেখা গেলে পৌরশহরে সেটি টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়।

Saturday, November 12, 2016

ইত্যাদি’ এবার যশোরে প্রচার ১৮ই নভেম্বর !
মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।

দেশ পরিক্রমার ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি’র এবারের মূলপর্ব ধারণ করা হয়েছে অবিভক্ত বাংলার প্রথম জেলা যশোরে। স্থাপত্য শৈলীর অনন্য নিদর্শন দেশের সবচাইতে প্রাচীন যশোর কালেক্টরেট ভবনের সামনে গত ৫ই নভেম্বর ধারণ করা হয় এবারের ‘ইত্যাদি’। শেকড় সন্ধানী ইত্যাদির এবারের পর্বে যশোরের ইতিহাসrও ঐতিহ্য নিয়ে রয়েছে একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন এবং যশোরের গদখালীর ফুল উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের উপর রয়েছে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার একটি শিক্ষক পরিবারের উপর রয়েছে একটি শিক্ষামূলক প্রতিবেদন। যে পরিবারের প্রত্যেকেই নিজেরা শিক্ষা গ্রহণ করে অন্যকেও শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার ব্রত নিয়েছেন। এবারের বিদেশি প্রতিবেদন করা হয়েছে ফ্রান্সের প্যালেস অব ভার্সাই এর উপর। একসময় যেখানে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত অবস্থান করেছেন। এবারের ইত্যাদি’তে মূল গান রয়েছে দু’টি। যশোরেরই সন্তান কবি ড. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের লেখা একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীত জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র মো?হাম্মদ আবদুল জব্বার। দীর্ঘদিন টিভি পর্দায় অনুপস্থিত যশোরের সন্তান শিল্পী আকবরকে দেখা যাবে এবারের ইত্যাদি’তে। যশোরকে নিয়ে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান লেখা ও আলী আকবর রূপুর সুর করা একটি দলীয় সংগীতের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন যশোরের অর্ধশতাধিক স্থানীয় নৃত্যশিল্পী। এবারে যশোরকে ঘিরে করা প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে হাজার হাজার দর্শকের মাঝ থেকে ৪ জন দর্শক নির্বাচন করা হয়। এবারের দর্শক পর্বের আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন যশোরেরই কৃতী সন্তান খ্যাতিমান গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান। তারই লেখা ৪টি জনপ্রিয় গানের উপরে সাজানো হয়েছে দ্বিতীয় পর্ব। যা ছিল বেশ উপভোগ্য। নিয়মিত পর্ব হিসেবে এবারও রয়েছে যথারীতি মামা-ভাগ্নে, নানী-নাতি ও চিঠিপত্র বিভাগ। রয়েছে বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশকিছু সরস ও তীক্ষ্ন নাট্যাংশ। খাদ্য যন্ত্রণা, সুন্দর মন-সুন্দর দেশ, বর্তমান নাটকের হালচাল, কথার বিড়ম্বনা, প্রার্থীর প্রার্থনা ও নিয়োগকর্তার বিস্ময়, বিক্রি বাড়ানোর ডিজিটাল পন্থা, মেরুদণ্ডহীন শিক্ষিত সমাজসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর রয়েছে বেশ কয়েকটি নাট্যাংশ। বরাবরের মতো এবারও ইত্যাদি’র শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনায় ছিলেন অনুষ্ঠানের নিয়মিত শিল্প নির্দেশক মুকিমুল আনোয়ার মুকিম। এবারের অনুষ্ঠানে উলেখযোগ্য শিল্পীরা হলেন নাজমুল হুদা বাচ্চু, এস এম মহসিন, জিয়াউল হাসান কিসলু, কে এস ফিরোজ, সুভাশিষ ভৌমিক, কামাল বায়েজিদ, আবদুল কাদের, আফজাল শরীফ, শবনম পারভীন, আবদুল আজিজ, কাজী আসাদ, জিলুর রহমান, আমিন আজাদ, নিপু, শেলী আহসান, সজল, বিনয় ভদ্র, বিলু বড়ুয়া, জামিল, নজরুল ইসলাম, সাজ্জাদ সাজু, ফরিদসহ আরো অনেকে। পরিচালকের সহকারী হিসেবে ছিলেন যথারীতি রানা সরকার ও মামুন মোহাম্মদ। সব শ্রেণী-পেশার মানুষের প্রিয় অনুষ্ঠান ইত্যাদি’র আগামী পর্ব একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার হবে ১৮ই নভেম্বর রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। এটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। স্পন্সর করেছে যথারীতি কেয়া কস্‌মেটিকস্‌ লিমিটেড।
মনিরামপুরে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় যুবলীগ কর্মীসহ নিহত ২:আহত ২
মনিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স॥

যশোরের মনিরামপুরে পৃথক দুটি সড়ক দূর্ঘটনায় এক যুবলীগ কর্মী এবং কলেজ ছাত্রী নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয় যুবলীগের ২ কর্মী। এর মধ্যে শনিবার রাতে পৌরশহরে পরিবহনের চাপায় নিহত হয় যুবলীগ কর্মী মুরাদ হোসেন। অন্যদিকে কলেজ ছাত্রী হালিমা খাতুন সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়ে ঢাকার সাভারে সিআরপিতে চিকিৎসাধিন অবস্থায় শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবলীগ কর্মী মুরাদ পৌরশহরের কামালপুর এলাকার আবদুল কুদ্দুসের ছেলে। নিহত কলেজ ছাত্রী হালিমা খাতুন গালদা গ্রামের ইউনুচ আলীর মেয়ে। সে যশোর মহিলা কলেজের ছাত্রী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মনিরামপুর পৌরশহরের কামালপুর এলাকার যুবলীগ কর্মী মুরাদ হোসেন, রুবেল হোসেন ও হেলাল হোসেন শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মোটরসাইকেলযোগে পৌরশহরের আসছিল। পথিমধ্যে মোহনপুর অাদদ্বীন অফিসের সামনে পৌছলে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ঢাকাগামী একে ট্রাভেলসের যাত্রীবাহী চলন্ত একটি কোচের সামনে ছিটকে পড়ে। এ সময় কোচের চাকায় পিষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয় যুবলীগ কর্মী মুরাদ হোসেন। আহত হয় মোটরসাইকেলে থাকা অপর যুবলীগ কর্মী রুবেল ও হেলাল। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহত দুইজনকে উদ্ধারের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদেরকে শনিবার রাতেই যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
অপরদিকে উপজেলার গালদা গ্রামের ইউনুচ আলীর মেয়ে হালিমা খাতুন বৃহষ্পতিবার সকালে যশোরে যাওয়ার পথে পুলেরহাট সড়কের কোদলাপাড়া ঝাউতলায় সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাভারের সিআরপি হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয় বলে পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে। মনিরামপুর থানার ওসি বিপ্লব কুমার নাথ জানান, সড়ক দূর্ঘটনায় যুবলীগ কর্র্মী নিহতের ঘটনায় কোচটি আটক করা সম্ভব হয়নি।

Saturday, October 29, 2016

মণিরামপুরে লুৎফর রহমান কলা ভবনের উদ্বোধন করলেন এমপি স্বপন

মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।


মণিরামপুরের প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান ও রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মুক্তিযোদ্ধা এস এম লুৎফর রহমানের ২৯ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষে শনিবার বেলা ১১ টার দিকে রাজগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ শোক সভার আয়োজন করে। কলেজ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য্য। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক রহমতুল্যাহ,মশ্বিমনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন,মুক্তিযুদ্ধা মোশারফ হোসেন,উপজেলা ওয়ার্কাস পার্টির সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান দুলু। কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে এসময় অভিভাবক সদস্য,শিক্ষার্থীসহ এলাকার সুধিজনরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে সংসদ সদস্য কলেজের নব নির্মিত তিন তলা বিশিষ্ট লুৎফর রহমান কলা ভবনের ফলক উন্মোচন করেন। এদিকে শনিবার সকালে সংসদ সদস্য স্বপন ভট্টাচার্য্য ঝাঁপা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মাষ্টার খোরশেদ আলমের বড় ভাই আরশাদ আলীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা জ্ঞাপন করতে মরহুমের নিজ বাড়িতে ছুটে যান।

Friday, October 28, 2016

মনিরামপুরে ১নং রোহিতা ইউনিয়নে ফেয়ার প্রাইজের ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু


ম‌ণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।


মনিরামপুরে ১নং রোহিতা ইউনিয়নের রোহিতা বাজারে ডিলার মফিজ উদ্দীন এর দোকানে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার কতৃক ১০ টাকায় চাউল এর শুভ উদ্ভোদন করেন মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের বারবার নির্বাচিত সংগ্রামী সভাপতি ও মনিরামপুর পৌর মেয়র বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আলহাজ্ব অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রোহিতা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাফিজ উদ্দীন, সাধারন সম্পাদক লিয়াকত আলী বিশ্বাস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা বাবু, কাজী ইনদাদুল হক, সহ-সভাপতি অধীর মন্ডল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলাউদ্দীন মোড়ল, যুবনেতা মোহর আলী, ইউপি সদস্য মনিরুল ইসলাম মনি, মহিতুল ইসলাম, জেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক আশরাফুল আলম, রোহিতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের আহবায়ক মোঃ সোহাগ হোসেন, যুগ্ম-আহবায়ক নাজমুল হাসান নয়ন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, ছাত্রনেতা মেহেদী হাসান, ইস্রাফিল হোসেন সহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।'

Wednesday, October 26, 2016

মণিরামপুরে খেদাপাড়ায় ইয়াবাসহ দম্পতি আটক

মণিরামপুরে কণ্ঠ ডেক্স।।
   

 মণিরামপুরে ইয়াবাসহ দম্পতিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার খেদাপাড়া এলাকার নিজবাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটক দম্পতি হলেন, ওই এলাকার আমজাদ হোসেন সরদারের ছেলে আরশাদ আলী (৫০) ও তার স্ত্রী আরজিনা বেগম (৪০)। এসময় ৩৩০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।
মণিরামপুর থানার ওসি বিপ্লবকুমার নাথ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানার এসআই জহির রায়হান, এএসআই মোশারফ হোসেন ও এএসআই মনিরুল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে খেদাপাড়া এলাকার ইয়াবা ব্যবসায়ী আরশাদ আলী ও তার স্ত্রীকে আটক করেছেন।
এঘটনায় থানায় মাদক আইনে মামলা হয়েছে বলে জানান ওসি।

Friday, October 21, 2016

জাতীয় কাউন্সিলে কাউন্সিলর তালিকায় নাম নেই মনিরামপুরের সাবেক ও বর্তমান দুই এমপির

মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।


আজ থেকে শুরু হওয়‌া দুইদিন ব্যাপী বাংলা‌দেশ আওয়ামীলী‌গের কে‌ন্দ্রিয় কাউ‌ন্সি‌লের কাউ‌ন্সিলর হি‌সে‌বে তা‌লিকায় স্থান পায়‌নি য‌শো‌রের ম‌ণিরামপু‌রের সা‌বেক ও বর্তমান এম‌পিদ্ব‌য়। ১৯ অ‌ক্টোবর ‌কে‌ন্দ্রিয় আওয়ামীলী‌গের সভা‌নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হা‌সিনা স্বাক্ষ‌রিত কাউ‌ন্সিলরে‌দের তা‌লিকায় য‌শোর জেলার ১২১ জন স্থান পে‌লেও নাম নেই ম‌নিরামপু‌রের আওয়ামীল‌ীগ দ‌লীয় সা‌বেক এম‌পি এড. খান টিপু সুলতানের। ম‌নিরামপুর আসন থে‌কে ব‌ারবার নির্বা‌চিত ব‌র্ষিয়ান এই নেতা জেলা আওয়ামীলী‌গের সা‌বেক সভাপ‌তিসহ ছাত্র জীবন থে‌কেই দ‌লের গূরুত্বপূর্ণ দা‌য়িত্ব পালন ক‌রে‌ছেন। এক সম‌য়ে য‌শো‌রের তু‌খোড় এই ছাত্র‌নেতা সম্প্র‌তি নবগ‌ঠিত জেলা ক‌মি‌টি হ‌তেও বাদ প‌ড়ে‌ছেন। এমন‌কি সদস্য হি‌সে‌বে দেখা যায়‌নি বঙ্গবন্ধুর আস্থাভাজন এই নেতার নাম। আওয়ামীলী‌গের স্থানীয় দলীয় এক‌টি সূত্র জানায়, ওয়ান ই‌লি‌ভে‌নের সম‌য়ে সংস্কার পন্থী নেতা‌দের আস্থা ভাজন হি‌সে‌বে চি‌হ্নিত হওয়া এবং বিগত সংসদ নির্বাচ‌ন পরবর্তী সম‌য়ে তার পা‌রিবারিক এক‌টি হত্যাকা‌ন্ডের ঘটনায় চরম ই‌মেজ সংক‌টে প‌ড়েন খান টিপু সুলতান। এঘটনায় বিচা‌রের দা‌বি‌তে সারাদে‌শে আ‌ন্দোলন শুরু হ‌লে একপ্রকার আওয়ামীলীগ‌কেই তার জবাব‌দি‌হিতা কর‌তে হয়। এ‌তে ‌কে‌ন্দ্রিয় আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দসহ খোদ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী নি‌জেই বেশ চ‌টে যান তার উপর। এরই খেসারত গুন‌তে হ‌চ্ছে ব‌লেও কাউ‌ন্সিলর থে‌কে নাম বাদ পড়ার পর থে‌কে এলাকায় বেশ জো‌রে সো‌রে প্রচার পা‌চ্ছে।
অপর‌দি‌কে ম‌ণিরামপু‌রের বর্তমান এম‌পি স্বপন ভট্টাচার্য্য বিগত নির্বাচ‌নে দলীয় ম‌নোনয়ন পে‌তে ব্যর্থ হ‌য়ে নেত্রীর সিদ্ধান্ত অবমাননা ক‌রে খান টিপু সুলতা‌নের বিপ‌ক্ষে স্বতন্ত্র প্রার্থী হি‌সে‌বে প্রতিদ্ব‌ন্দ্বিতা ক‌রেন। ওই নির্বাচ‌নে বিএন‌পি-জামায়াত ভোট বর্জন করায় নৌকার বিপ‌ক্ষে ভোটযু‌দ্ধে নে‌মেও সু‌বিধাজনক অবস্থান পে‌য়ে যান তি‌নি। যার ফলশ্রু‌তি‌তে সারা‌দে‌শে নৌকার জয়জয়কার থাক‌লেও আওয়ামী‌লীগের ‌ভোট ব্যাংকখ্যাত ম‌নিরামপুর আসন থে‌কে এম‌পি নির্বা‌চিত হন তৎকা‌লিন জেলা আওয়ামীলী‌গের কোষাধ্যক্ষ স্বপন ভট্টাচার্য্য। দলীয় সিদ্ধান্তের প্র‌তি বৃদ্ধাঙ্গুল দে‌খি‌য়ে এম‌পি হ‌লেও তা‌কে ব‌হিষ্কার করা হয় দল থে‌কে। আজও বহিষ্কারা‌দেশ ফি‌রি‌য়ে নেওয়া হয়‌নি ব‌লে দলীয় সূত্র‌টি জানায়। আর এ ব‌হিষ্কা‌রের সা‌থে‌ সাথে স্থানীয় আওয়ামী রাজনী‌তি‌তে কোনঠাসা হ‌য়ে প‌ড়েন‌‌ তি‌নি। সা‌বেক এম‌পি খান টিপু সুলতা‌নের ম‌তো বাদ প‌ড়েন জেলা ক‌মি‌টি থে‌কেও। আওয়ামীলীগ য‌শোর জেলা সূত্র জানায়, ব‌হিষ্কৃত তাই ক‌মি‌টি‌র সদস্য প‌দেও স্থান পায়‌নি। যে কার‌নেই ২০ তম জাতীয় কাউ‌ন্সি‌লেও কাউ‌ন্সিলর হি‌সে‌বে নাম নেই স্বতন্ত্র এই এমপির। এ‌দি‌কে ম‌নিরামপুরের উপ‌জেলা চেয়ারম্যান, মেয়র, একজন ইউ‌পি চেয়ারম্যানসহ কাউ‌ন্সিলর হি‌সে‌বে অ‌ন্যান্য‌দের নাম থাক‌লেও সা‌বেক ও বর্তমান দুই এম‌পির নাম না থাকায় অ‌নেকটা হতাশাগ্রস্থ হ‌য়ে‌ছেন তা‌দের সমর্থকরা।

Sunday, October 16, 2016

সম্মাননা পেলেন মণিরামপুরের ইউএনও কামরুল হাসান

মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে জনদুর্ভোগ লাঘবে অনবদ্য অবদান রাখায় সেপ্টেম্বর ২০১৬ মাসের সম্মাননা ও সনদ পেয়েছেন মণিরামপুরের ইউএনও কামরুল হাসান। সনদ ও সম্মাননা স্মারক রোববার অক্টোবর মাসের উন্নয়ন সমন্বয় সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে তুলে দেন যশোর জেলা প্রশাসক ড. মো. হুমায়ুন কবীর।
বিবেচ্য মাসে ফেসবুকের মাধ্যমে ছয়টি নাগরিক আবেদন দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করায় তিনি এই সম্মাননা পেলেন বলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান উপজেলার সবস্তরের জনদুর্ভোগের চিত্র ফেসবুকে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে নিজ অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ইউএনও শ্যামকুড় এলাকার তিন প্রতিবন্ধী ভাই-বোনের জীর্ণ টংঘরে গিয়ে তাদের সহযোগিতা করেন। এছাড়া তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদে আশ্রয় নেওয়া এক দরিদ্র কৃষকের গরু মরার খবর পেয়ে তাকে সহায়তা প্রদান, গাংড়া গ্রামের ১১০ বছর বয়সী এক ভিখারিণীকে সহযোগিতা, রোহিতা প্রাইমারি স্কুলের ঝুঁকিপূর্ণ  ভবনের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ, হানুয়ার গ্রামের বাগের রাস্তার ভাঙা ব্রিজ সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ, হরিদাসকাঠির বাহাদুরপুর গ্রামের সর্বহারা বয়োবৃদ্ধ প্রতিবন্ধী পাগলির ছবিসমম্বলিত সুবর্ণভূমির প্রতিবেদন দেখে সমাজসেবা অফিসকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ জনদুর্ভোগ লাঘবে নানামুখী কার্যকর ভূমিকা পালন করেন। খবর পাওয়ামাত্রই দুর্ভোগে থাকা মানুষের কাছে ছুটে যাওয়ার তার এই মনোভাব ও দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা প্রশাসন এ সম্মাননা ইউএনও কামরুল হাসানকে প্রদান করলো।
সম্মাননা পাওয়ার পর সুবর্ণভূমির কাছে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কামরুল হাসান বলেন, 'মণিরামপুরবাসীর সার্বিক সহযোগিতার কথা আমি সম্মানের সাথে স্মরণ করছি। তাদের সহযোগিতার ফলেই আজ আমি সম্মানিত হয়েছি। তাই আমার সকল ফেসবুক বন্ধু ও মণিরামপুরবাসীকে অভিনন্দন জানাই।'

Monday, October 3, 2016

মণিরামপুরে খেদাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড, পরোয়ানা

মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।  


আদালতের আদেশ অমান্য করায় যশোরের মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার এক আদেশে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক নুসরাত জাবীন নিম্মী এ সাজা দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে মণিরামপুরের হেলাঞ্চী গ্রামের রামপদ দাসের জমির একটি জামগাছ কেটে নেন আব্দুল আজিজ মোল্লা ও তার লোকজন। গাছ কাটতে বাধা দিলে রামপদ দাস ও তার পরিবারের সদস্যদের মারপিট করা হয়।
এ ব্যাপারে রামপদ দাস বাদী হয়ে ১৯ নভেম্বর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। বিচারক অভিযোগ গ্রহণ করে খেদাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকে তদন্ত করে ২০১৬ সালের ৪ জানুয়ারির মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
মামলার তিনটি ধার্যদিন অতিবাহিত হলে চেয়ারম্যান মুজিবর রহমানকে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়ে তাগিদপত্র দেন বিচারক।
'২০ জুন কেন তাকে আদালত অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত করা হবে না' মর্মে সশরীরে হাজির হয়ে জবাব দেওয়ার জন্য নোটিসও জারি করা হয়।
বারবার সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও তদন্তকারী কর্মকর্তা ইউপি চেয়ারম্যান সময়ের আবেদন অথবা তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা না দেওয়ায় বিচারক তাকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে বিচারক তার আদেশে খেদাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

Thursday, September 29, 2016

যশোরের শেখ আফিল উদ্দিন, স্বপন ভট্টাচার্য্য, ইসমাত আরা সাদেকসহ ৭০এমপির মনোনয়ন ঝুঁকিতে

মনিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।


আগামী একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের বর্তমান সংসদের প্রায় ৭০ জন সদস্য মনোনয়ন লাভে ব্যর্থ হতে পারেন। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে যে মাঠ জরিপ শুরু করেছেন, সেখানে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে হেভিওয়েট প্রার্থীসহ ৭০ জনের নামে নানা অভিযোগ উঠে আসছে।
এতে বলা হচ্ছে- নানা কারণে এলাকায় আলোচিত-সমালোচিত এইসব মন্ত্রী-এমপিদের মনোনয়ন দেয়া হলে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া কষ্টসাধ্য হবে। এই ৭০ জন মন্ত্রী-এমপিকে ঝুঁকিপূর্ণ প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের কারো বিরুদ্ধে এলাকায় জনপ্রিয়তা হ্রাস, জনবিচ্ছন্ন হয়ে পড়া, অনেকের বিরুদ্ধে দখল, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদকব্যবসা, অনৈতিকভাবে বিত্ত-বৈভব গড়ার মতো অভিযোগ আনা হয়েছে। কারো বিরুদ্ধে আনা হয়েছে- সন্ত্রাস ও দলীয় কোন্দল সৃষ্টির অভিযোগ।
রাষ্ট্রীয় অন্যতম একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর ফরিদপুর-২, সাবেক শ্রমমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর নরসিংদী-৫, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির চাঁদপুর-২, পূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের চট্টগ্রাম-১, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যাড. সাহারা খাতুনের ঢাকা-১৮, সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হকের সাতক্ষীরা-২ আসনগুলোকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে জনপ্রিয়তায় ধ্বস নেমেছে এসব হেভিওয়েট আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের।
এছাড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে তালিকায় – গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী মান্নান খান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আহাদ আলী সরকার, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মোতাহার হোসেন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরীর অবস্থাও নড়বড়ে বলে প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্ম মন্ত্রী এবং ময়মনসিংহ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মতিউর রহমানের নামে এলাকায় সরকারি জমি দখল করে নিজের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়াসহ নানা অভিযোগ ওঠায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। এছাড়া নিজের বেপোরোয়া ছেলের কর্মকান্ডে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
টেকনাফ থেকে নির্বাচিত এমপি আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধেও রয়েছে নানা অভিযোগ। সরকারি কর্মকর্তাকে মারধর, শিক্ষককে প্রহারসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার ইমেজ স্থানীয় জনগণের পাশাপাশি দলের কাছেও ভালো নয়। রিপোর্টেও বদির অবৈধ ব্যবসায়িক তৎপরতার বিষয়ে অভিযোগ এসেছে।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতনের বিরুদ্ধে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন কেন্দ্রে। সেখানে জলমহাল দখলের সঙ্গে তার লোকজনের জড়িত থাকার অভিযোগ করা হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ না রাখা এবং অহেতুক প্রভাব খাটানোর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আড়িয়াল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণ, চাঁদাবাজি, জমিদখলের মতো অপকর্মের কারণে কপাল পুড়তে পারে মুন্সিগঞ্জ-১ এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষের। শুরুর দিকে এলাকায় নিজের অবস্থান ভালো থাকলেও পরবর্তীতে নানা অপকর্মের কারণে তিনি অনেকটাই বেকায়দায় আছেন। এই আসনে দলের সাফল্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন খোদ দলের নেতারাই।
গাইবান্ধা-২ আসনের মাহাবুব আরা গিনি, গাইবান্ধা-৪ আবুল কালাম আজাদ এবং গাইবান্ধা-৫ আসনের অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়ার বিপক্ষে অভিযোগের পাহাড়।
এছাড়া চট্টগ্রাম-৩-মাহফুজুর রহমান, চট্টগ্রাম-১১-এর এম আব্দুল লতিফ, ঢাকা-১৬ আসনের ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, চুয়াডাঙ্গা-১-এর সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন, যশোর-১-এর শেখ আফিল উদ্দিন, বরিশাল-২-এর তালুকদার মো. ইউনুস, নেত্রকোনা-২-এর আরিফ খান জয় (উপমন্ত্রী), মানিকগঞ্জ-৩-এর জাহেদ মালেক স্বপন, নওগাঁ-৬-এর ইসরাফিল আলম, রাজশাহী-১-এর ওমর ফারুক চৌধুরী, মেহেরপুর-১-ফরহাদ হোসেন, যশোর-৫-এর স্বপন ভট্টাচার্য্য, যশোর-৬-এর ইসমাত আরা সাদেক, খুলনা-২-এর মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ঢাকা-১৫-এর কামাল আহমেদ মজুমদারসহ ৭০ জনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

তথ্য সূত্র: পূর্বপশ্চিম ডটকম.
শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে মনিরামপুর ছাত্রলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত
মনিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।

 গণতন্ত্রের মানসকন্যা, বাংলার সফল সরকার প্রধান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষে মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহ্ফিল ও আনন্দ মিছিল পালন করা হয় ।উক্ত অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী আহ্বায়ক, ছাএনেতা মোঃ মুরাদুজ্জামান ( মুরাদ) ও সভা পরিচালনা করেন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ফজলুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ জনপ্রিয় জননেতা জনাব আলহাজ্ব অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য প্রভাষক ফারুক হোসেন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সফল আহ্বায়ক ও আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ মনিরুজ্জামান (মিল্টন), উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ হোসেন ,উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ নজরুল ইসলাম, চালুয়াহাটী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম (মিলন), এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ফরহাদ হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক ছাত্রনেতা মোঃ জামাল হোসেন, ছাএনেতা মোঃ মামুন জুয়েল, সহ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।।

Wednesday, September 28, 2016

যশোর এসপি অফিসে জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মিলন লাঞ্ছিত

রাজনীতি ডেস্কঃ

যশোরে এসপি অফিস থেকে দরপত্র ছিনতাইয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় টেন্ডারবাজদের হাতে লাঞ্ছিত হন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে যশোরের পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তিনি লাঞ্ছনার শিকার হন। দুর্বৃত্তরা তার পরনের পাঞ্জাবি ছিড়ে ফেলে। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের এমন কাজে বিস্ময় প্রকাশ করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি এঘটনার জন্যে পুলিশ প্রশাসনকে দায়ী করেন।

পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন প্রেসক্লাব যশোরে তাৎক্ষণিক সংবাদ সম্মেলনে জানান, দুটি প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদারি কাজের প্রায় ৪৬ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল বুধবার দুপুর ১টায়। তিনি চারটি যৌথ প্রতিষ্ঠানের হয়ে টেন্ডার জমা দিতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে টেন্ডার বাক্স দেখতে পাননি। ফলে তিনি টেন্ডার জমা দিতে ব্যর্থ হন।

ওই সময় তিনি টেন্ডার বাক্সের দায়িত্বে থাকা অফিস সহকারীর কক্ষে বসেছিলেন। হঠাৎ এক যুবক এসে তার কাছ থেকে একটি টেন্ডারপত্রের খাম ছিনিয়ে নেয় এবং তার গায়ের পাঞ্জাবিটি ছিড়ে ফেলে। তিনি উল্লিখিত ঠিকাদারি কাজের দরপত্র নতুন করে আহ্বান ও টেন্ডারবাজ-সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার দাবি করেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এসব টেন্ডারবাজের কারণে যশোরের প্রকৃত ঠিকাদাররা কোনো টেন্ডারে অংশ নিতে পারেন না। পুলিশ প্রশাসন এসব বিষয়ে অবগত থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেয় না।

সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান মিন্টু, দলীয় নেতা সেলিম আহমেদ, সুখেন মজুমদার, হাফিজুর রহমানসহ বেশ কিছু নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এসব বিষয়ে জানতে যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তার সেল ফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদ আবু সরোয়ার বলেন, সরকারি কাজে জেলার বাইরে আছি। এসব বিষয় আমার জানা নেই।

যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি জানি না। কেউ এ বিষয়ে আমাকে কিছুই জানায়নি। কেউ অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে ঘটনাস্থলে ওসি উপস্থিত ছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

উলে­খ্য, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি কাজে প্রায় ২৩ কোটি টাকা এবং পিডাব্লিউডির একটি গ্রুপের ২৩ কোটি টাকার কাজের দরপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল বুধবার।

Monday, September 26, 2016

মণিরামপুরে ৮শত ৭১ ভিক্ষুকের তালিকা তৈরি

মণিরামপুর কণ্ঠ ডেক্স।।


মণিরামপুরে ৮৭১ জন ভিক্ষুক ভিক্ষাবৃত্তির মধ্যদিয়ে জীবন যাপন করে।এদের মধ্যে বেশিরভাগই বৃদ্ধ,প্রতিবন্ধী,বিধবা অথবা স্বামী পরিত্যক্তা।সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসক কর্তৃক সংগৃহীত তালিকানুসারে এ তথ্য পাওয়া গেছে।তালিকা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি ৯৭ জন ভিক্ষুক রয়েছে উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নে আর সবচেয়ে কম ১০ জন ভিক্ষুক রয়েছে নেহালপুর ইউনিয়নে।এছাড়া পৌর এলাকায় ৩৭ জন ,রোহিতা ইউনিয়নে ৬০ জন,কাশিমনগর ইউনিয়নে ৬৩ জন,ভোজগাতী ইউনিয়নে ২৩ জন,ঢাকুরিয়া ইউনিয়নে ৩৩ জন,হরিদাসকাটি ইউনিয়নে ৪৮ জন,মণিরামপুর সদর ইউনিয়নে ৩১ জন,হরিহরনগর ইউনিয়নে ৯৩ জন,ঝাঁপা ইউনিয়নে ৩২ জন,মশ্মিমনগর ইউনিয়নে ৪৪ জন,চালুয়াহাটি ইউনিয়নে ৭০ জন,শ্যামকুড় ইউনিয়নে ৪৩ জন,খানপুর ইউনিয়নে ৪৫ জন,দুর্বাডাঙ্গা ইউনিয়নে ৭৯ জন,কুলটিয়া ইউনিয়নে ৩০ জন ও মনোহরপুর ইউনিয়নে ৩৩ জন ভিক্ষুক রয়েছে।
সম্প্রতি মন্ত্রনালয়ের চাওয়া অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসন ভিক্ষুকের তালিকি তৈরি করেছেন বলে জানা গেছে।দেশে দারিদ্রতার হার কমিয়ে আনতে সরকার ধারাবাহিকভাবে এসব ভিক্ষুককে পুনর্বাসন করবেন বলে উপজেলা প্রশাসনের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছেন।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান,সরকারের চাওয়া অনুযায়ী ভিক্ষুকদের এই তালিকা করে পাঠানো হয়েছে।পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে এদের পুনর্বাসন করা হবে।